আসল দলিল হারিয়ে গেছে? চিন্তা নেই, মোবাইল দিয়ে তুলুন দলিলের সার্টিফাইড কপি!

মোবাইল দিয়ে জমির দলিলের অনলাইন সার্টিফাইড কপি বা নকল তোলার সম্পূর্ণ নিয়ম ও ডাউনলোড করার সহজ উপায়।

জমির আসল দলিল হারিয়ে গেলে প্রথমেই আপনার নিকটবর্তী থানায় একটি জিডি (GD) করুন এবং সংবাদপত্রে সতর্কতামূলক বিজ্ঞাপন দিন। এরপর পশ্চিমবঙ্গ সরকারের রেজিস্ট্রেশন দপ্তরের অফিশিয়াল পোর্টালে (wbregistration.gov.in) গিয়ে ‘Request for Certified Copy’ অপশনের মাধ্যমে আবেদন করুন। সঠিক তথ্য দিয়ে অনলাইনে সরকারি ফি (GRN) জমা দেওয়ার পর, যদি সংশ্লিষ্ট দলিলের ডিজিটাল কপি উপলব্ধ থাকে, তাহলে পোর্টালে নির্দেশিত প্রক্রিয়া অনুযায়ী তা সংগ্রহ বা ডাউনলোড করা যেতে পারে।

​জমির দলিল (Registered Deed) হলো সম্পত্তির মালিকানার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আইনি ভিত্তি। কোনো কারণে এই অতি মূল্যবান নথিটি হারিয়ে গেলে বা চুরি হয়ে গেলে দুশ্চিন্তায় পড়াটাই স্বাভাবিক। তবে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের নিয়মানুযায়ী, আসল দলিল হারিয়ে গেলেও আপনার সম্পত্তির অধিকার চলে যায় না। আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এই দলিলের একটি সরকারি প্রতিলিপি বা 'সার্টিফাইড কপি' (Certified Copy) তুলে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।

​এই গাইডটিতে আমরা জানবো, দলিল হারালে আপনার প্রথম করণীয় কী, কোন কোন ধাপে সার্টিফাইড কপির জন্য আবেদন করবেন এবং এই প্রক্রিয়ার সাথে জড়িত খুঁটিনাটি সব নিয়মকানুন।

⚠️ গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা

অনেকেই জমির পর্চা (ROR/e-Porcha) এবং নিবন্ধিত দলিলের সার্টিফাইড কপিকে একই জিনিস মনে করেন। বাস্তবে এই দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন নথি এবং ভিন্ন সরকারি দপ্তর থেকে ইস্যু করা হয়।

📄 পর্চা (ROR / e-Porcha) এটি BL&LRO (ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তর)-এর জমির সরকারি রেকর্ড। Banglarbhumi পোর্টাল থেকে পাওয়া যায় এবং এতে সরকারি রেকর্ড অনুযায়ী বর্তমানে জমিটি কার নামে আছে তা দেখা যায়।
📜 নিবন্ধিত দলিল (Registered Deed) এটি Registration & Stamp Revenue Department-এর নিবন্ধিত আইনি নথি। এর Certified Copy সংশ্লিষ্ট Sub-Registrar Office (SRO)-এর রেকর্ড থেকে ইস্যু করা হয় এবং WB Registration পোর্টালের মাধ্যমে আবেদন করে সংগ্রহ করতে হয়।

দলিল হারিয়ে গেলে কী কী আইনি ও আর্থিক সমস্যা হতে পারে?

​আসল দলিল আপনার কাছে না থাকলে বেশ কিছু ক্ষেত্রে কাজ আটকে যেতে পারে:

  • সম্পত্তি হস্তান্তর: জমি বিক্রি, দান বা অন্য কোনোভাবে হস্তান্তরের ক্ষেত্রে।
  • ব্যাংক লোন: জমি বন্ধক রেখে ব্যাংক থেকে ঋণ (Home Loan) নেওয়ার ক্ষেত্রে।
  • মিউটেশন (Mutation): নতুন করে নিজের নামে জমির রেকর্ড বা নামপত্তন করানোর সময়।
  • আইনি বিবাদ: সম্পত্তির সীমানা বা মালিকানা নিয়ে আইনি মামলা হলে আদালতে প্রমাণ হিসেবে।

আসল দলিল হারালে প্রাথমিক করণীয় (নিরাপদ আইনি পদক্ষেপ)

​দলিল খুঁজে না পেলে আতঙ্কিত হবেন না। ভবিষ্যতের আইনি জটিলতা এড়াতে দ্রুত নিচের পদক্ষেপগুলো নিন:

ধাপ ১: থানায় জিডি (General Diary) করা

আপনার নিকটবর্তী থানায় গিয়ে একটি জিডি করুন। জিডিতে জমির দাগ নম্বর, খতিয়ান, দলিলের সাল এবং কোথা থেকে হারিয়েছে তা উল্লেখ করুন।

📝 নোট: সার্টিফাইড কপি অনলাইনে আবেদনের জন্য জিডি (GD) কপি আপলোড করা বাধ্যতামূলক নয়। তবে ভবিষ্যতে জমি বিক্রি, হোম লোন বা অন্য কোনো আইনি প্রয়োজনে নিজের স্বার্থ সুরক্ষিত রাখতে জিডি করে তার কপি সংরক্ষণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ধাপ ২: সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন দেওয়া

থানায় জিডির পর একটি বহুল প্রচারিত স্থানীয় বা জাতীয় সংবাদপত্রে দলিল হারানোর বিষয়ে সতর্কতামূলক বিজ্ঞাপন দিন (Classified Advertisement)।

ধাপ ৩: দলিলের নকলের জন্য আবেদন

জিডি এবং পেপার কাটিং হাতে রাখার পাশাপাশি দ্রুত রেজিস্ট্রেশন দপ্তরে সার্টিফাইড কপির জন্য আবেদন করে ফেলুন।

সার্টিফাইড কপি (Certified Copy) বা দলিলের নকল কী?

​সার্টিফাইড কপি হলো সাব-রেজিস্ট্রার অফিস (SRO) বা অ্যাডিশনাল ডিস্ট্রিক্ট সাব-রেজিস্ট্রার (ADSR) অফিস দ্বারা প্রদত্ত আপনার আসল দলিলের হুবহু আইনি প্রতিলিপি। এতে সরকারি সীলমোহর এবং রেজিস্টারিং অফিসারের স্বাক্ষর (বা ডিজিটাল সিগনেচার) থাকতে পারে, যা প্রমাণ করে যে এটি সরকারি রেকর্ড অনুযায়ী আসল দলিলের অবিকল কপি।

​কোন কোন ধরনের দলিলের সার্টিফাইড কপি তোলা যায়?

​রেজিস্ট্রি হওয়া যেকোনো দলিলের কপি তোলা সম্ভব। যেমন:

  • বিক্রয় কবলা বা Sale Deed
  • দানপত্র বা Gift Deed
  • বন্টননামা বা Partition Deed
  • বন্ধকী দলিল বা Mortgage Deed
  • হেবা দলিল (Heba Deed)
  • উইল বা ইচ্ছাপত্র (Registered Will)
  • মুক্তিপত্র বা Release Deed

তুলনামূলক টেবিল: আসল দলিল বনাম সার্টিফাইড কপি

বিষয় আসল দলিল (Original Deed) সার্টিফাইড কপি (Certified Copy)
কীভাবে তৈরি হয়? ক্রেতা-বিক্রেতার স্বাক্ষর ও স্ট্যাম্প পেপারে সম্পাদিত মূল চুক্তিনামা। সরকারি রেকর্ডের ভিত্তিতে তৈরি অবিকল প্রতিলিপি।
কে ইস্যু করে? সাব-রেজিস্ট্রার অফিস (রেজিস্ট্রেশনের পর)। সাব-রেজিস্ট্রার অফিস (আবেদনের পর)।
কোথায় পাওয়া যায়? ক্রেতা বা বর্তমান মালিকের কাছে থাকে। WB Registration পোর্টাল বা সংশ্লিষ্ট SRO অফিসে।
আইনি ব্যবহার সর্বত্র এবং সর্বোচ্চ আইনি বৈধতা। আসল দলিলের অনুপস্থিতিতে জিডির কপি সহ অধিকাংশ আইনি কাজে গ্রহণযোগ্য।
ডিজিটাল কপি না। এটি মূল হার্ডকপি নথি। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ডিজিটাল সিগনেচারযুক্ত PDF পাওয়া যায়।
হারালে করণীয় থানায় জিডি করে সার্টিফাইড কপির জন্য আবেদন করতে হয়। আবার আবেদন করে নতুন সার্টিফাইড কপি সংগ্রহ করা যায়।

আবেদন করার আগে চেকলিস্ট (Pre-application Checklist)

​আবেদনে বসার আগে নিচের তথ্যগুলো হাতের কাছে গুছিয়ে রাখুন:

  • দলিল নম্বর (Registration Number): যেমন: I-1234/2010।
  • রেজিস্ট্রেশনের বছর: দলিলটি কোন সালে রেজিস্ট্রি হয়েছিল।
  • রেজিস্ট্রেশন অফিস: কোন সাব-রেজিস্ট্রার (SRO) বা ADSR অফিসে কাজ হয়েছিল।
  • আবেদনকারীর ব্যক্তিগত তথ্য: নাম, ঠিকানা, চালু মোবাইল নম্বর এবং ইমেল আইডি।
  • অনলাইন পেমেন্ট মাধ্যম: Net Banking, UPI বা Debit/Credit Card।

কোন কোন তথ্য না থাকলেও আবেদন করা সম্ভব

​অনেক সময় পুরোনো দলিল হারালে সব তথ্য মনে থাকে না। সেক্ষেত্রে রেজিস্ট্রেশন দপ্তরের পোর্টালে "Search of Deed" বা "Index Search" ব্যবহার করে তথ্য বের করা যায়:

  • দলিল নম্বর বা সাল জানা নেই: ক্রেতা বা বিক্রেতার নাম (First Name & Last Name) এবং আনুমানিক সাল দিয়ে সার্চ করে দলিল নম্বর বের করা যায়।
  • শুধু মালিকের নাম জানা: "Search by Seller/Buyer Party Name" অপশন ব্যবহার করে নির্দিষ্ট SRO নির্বাচন করে তল্লাশি করা যায়।
  • শুধু মৌজা (Mouza) বা প্লট নম্বর (Plot Number) জানা: "Search by Property Details" অপশনে গিয়ে জেলা, থানা, মৌজা এবং প্লট নম্বর (দাগ নম্বর) দিলে ওই দাগের ওপর হওয়া রেজিস্ট্রেশনের তথ্য ও দলিল নম্বর পাওয়া যেতে পারে।

নোট: ম্যানুয়াল তল্লাশির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট SRO অফিসে গিয়ে নির্দিষ্ট ফি দিয়ে রেকর্ড বই বা Volume Book ঘাঁটতে হতে পারে।

e-District ও GRIPS পোর্টাল থেকে দলিলের সার্টিফাইড কপি তোলার সম্পূর্ণ চিত্রসহ গাইড

​পশ্চিমবঙ্গ সরকারের e-District পোর্টালের মাধ্যমে অনলাইনে দলিলের সার্টিফাইড কপির (Certified Copy) জন্য আবেদনের পুরো প্রক্রিয়াটি বিস্তারিতভাবে নিচে ধাপে ধাপে আলোচনা করা হলো:

হোমপেজে থাকা 'Calculation Assistance'-এর ঠিক নিচে 'Request for Certified Copy' অপশনে ক্লিক করুন। ক্লিক করার সাথে সাথেই পেজটি রিডাইরেক্ট হয়ে সরাসরি পশ্চিমবঙ্গের e-District অফিশিয়াল পোর্টালে চলে যাবে। আপনি চাইলে সরাসরি এই পোর্টালেও প্রবেশ করতে পারেন।

West Bengal e-District পোর্টালে জমির দলিলের সার্টিফাইড কপির জন্য নতুন অ্যাকাউন্ট খোলার নিয়ম।

মনে রাখবেন: আপনি যদি নিচের প্রক্রিয়াগুলো মোবাইল থেকে করে থাকেন, তবে পোর্টালটি খোলার পর আপনার ব্রাউজারের 'ডেস্কটপ সাইট' (Desktop Site) মোডটি অন করে নেবেন, অন্যথায় সব অপশনগুলো স্ক্রিনে দেখা যাবে না।

নতুন অ্যাকাউন্ট তৈরি করার পদ্ধতি

​অনলাইনে দলিলের সার্টিফাইড কপির আবেদন করার জন্য প্রথম কাজ হলো পোর্টালে নিজের একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করা। নিচে দেওয়া নিয়মটি অনুসরণ করে খুব সহজে আপনি আপনার অ্যাকাউন্টটি তৈরি করে নিতে পারবেন:

রেজিস্ট্রেশন পেজে যান: প্রথমে আপনার কম্পিউটার বা মোবাইলের ব্রাউজার থেকে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের e-District পোর্টালে (edistrict.wb.gov.in) প্রবেশ করুন। এরপর ওয়েবসাইটের হোমপেজে ডানদিকের উপরের কোণায় থাকা 'LOGIN/SIGN UP' বাটনে ক্লিক করুন।

West Bengal e-District পোর্টালে জমির দলিলের সার্টিফাইড কপির জন্য নতুন অ্যাকাউন্ট খোলার নিয়ম।

লগইন বক্সের ঠিক নিচে থাকা Signin অপশনের নিচে 'Register' অপশনটি বেছে নিন।

West Bengal e-District পোর্টালে জমির দলিলের সার্টিফাইড কপির জন্য নতুন অ্যাকাউন্ট খোলার নিয়ম।

নাম ও যোগাযোগের তথ্য দিন: এবার আপনার সামনে অ্যাকাউন্ট তৈরি করার মূল ফর্মটি চলে আসবে। ফর্মের 'First name'-এর ঘরে আপনার নামের প্রথম অংশ (যেমন- Saikat) এবং 'Last name'-এর ঘরে আপনার নামের শেষ অংশ বা পদবি (যেমন- Seikh) লিখুন। এরপর 'Email' অপশনে আপনার একটি সচল ইমেইল আইডি এবং 'Mobile' অপশনে আপনার নিজের সচল মোবাইল নম্বরটি বসিয়ে দিন।

জন্মতারিখ সিলেক্ট করুন: এই ধাপটিতে আপনাকে কষ্ট করে নিজের হাতে জন্মতারিখ টাইপ করতে হবে না। 'Date Of Birth'-এর ঘরটিতে ক্লিক করার সাথে সাথেই স্ক্রিনে একটি ক্যালেন্ডার বক্স (Calendar Box) খুলে যাবে। আপনাকে শুধু সেই ক্যালেন্ডার থেকে প্রথমে আপনার জন্মের বছর, তারপর মাস এবং শেষে সঠিক তারিখটি সিলেক্ট বা নির্বাচন করে দিতে হবে।

ইউজারনেম তৈরি ও সাবমিট: সবশেষে পরবর্তীতে পোর্টালে লগইন করার সুবিধার্থে 'Enter Username'-এর ঘরে আপনার পছন্দমতো একটি নির্দিষ্ট ইউজারনেম (যেমন- Saikatseikh123) তৈরি করে লিখুন। ফর্মের সমস্ত তথ্য নির্ভুলভাবে পূরণ ও সিলেক্ট করা হয়ে গেলে, পৃষ্ঠার একদম নিচে থাকা নীল রঙের 'Register' বাটনটিতে ক্লিক করুন।

জরুরি নোট: বর্তমানে ২০২৬ সালের সর্বশেষ আপডেট অনুযায়ী অ্যাকাউন্ট খোলার সময় কোনো ওটিপি (OTP) ভেরিফিকেশনের প্রয়োজন হয় না। তাই 'Register' বাটনে ক্লিক করার সঙ্গে সঙ্গেই কোনো অতিরিক্ত ধাপ ছাড়াই আপনার নতুন অ্যাকাউন্টটি তৈরি হয়ে যাবে এবং এরপর আপনি সরাসরি লগইন করতে পারবেন।

​পোর্টালে লগইন করার সহজ পদ্ধতি

ইউজারনেম ও ওটিপি মাধ্যম দিন: প্রথমে 'Username or email' ঘরে আপনার ইউজারনেম বা ইমেইল লিখুন। এরপর ওটিপি মোবাইলে নাকি ইমেইলে নেবেন, তা সিলেক্ট করুন। স্ক্রিনে দেখানো ক্যাপচা কোডটি দেখে দেখে হুবহু টাইপ করুন এবং নিচে থাকা 'Sign In' বাটনে ক্লিক করুন।
ই-ডিস্ট্রিক্ট পোর্টালে ইউজার আইডি এবং ওটিপি দিয়ে লগইন করার পদ্ধতি।

ওটিপি সাবমিট: এবার আপনার মোবাইল বা ইমেইলে আসা ওটিপি (OTP) কোডটি নির্দিষ্ট ঘরে বসিয়ে 'Submit' বাটনে ক্লিক করলেই আপনি সফলভাবে পোর্টালে লগইন হয়ে যাবেন।

ই-ডিস্ট্রিক্ট পোর্টালে ইউজার আইডি এবং ওটিপি দিয়ে লগইন করার পদ্ধতি।

Certified Copy of Registered Deed' সার্ভিসটি খোঁজার নিয়ম

​লগইন করার পর মূল আবেদন ফর্মে পৌঁছানোর জন্য আপনাকে ছোট্ট একটি নেভিগেশন করতে হবে:

মেনুবার ওপেন করুন: ড্যাশবোর্ড পেজটি খোলার পর, একদম বাঁদিকের উপরের কোণায় থাকা থ্রি-লাইন বা মেনু আইকনটিতে ক্লিক করুন।

e-District ড্যাশবোর্ড থেকে প্রপার্টি রেজিস্ট্রেশন ও সার্টিফাইড কপি অফ রেজিস্টার্ড ডিড সার্ভিস সিলেক্ট করা।

সার্ভিস অপশন বেছে নিন: মেনুটি ওপেন হলে সেখান থেকে 'Services' লেখাটির ওপর ক্লিক করুন। সাথে সাথে স্ক্রিনে 'Service Discovery' নামে একটি নতুন পপ-আপ বক্স খুলে যাবে।

e-District ড্যাশবোর্ড থেকে প্রপার্টি রেজিস্ট্রেশন ও সার্টিফাইড কপি অফ রেজিস্টার্ড ডিড সার্ভিস সিলেক্ট করা।

প্রপার্টি ক্যাটাগরি সিলেক্ট করুন: এই পপ-আপ বক্সের বাঁদিকের তালিকা (FILTER SERVICE BY) থেকে একটু নিচের দিকে থাকা 'Property' ক্যাটাগরিটি সিলেক্ট করুন।

e-District ড্যাশবোর্ড থেকে প্রপার্টি রেজিস্ট্রেশন ও সার্টিফাইড কপি অফ রেজিস্টার্ড ডিড সার্ভিস সিলেক্ট করা।

রেজিস্ট্রেশন ট্যাব ও সার্ভিস নির্বাচন: এবার ডানদিকের মেনুতে থাকা ছোট অ্যারো চিহ্নে (>) ক্লিক করে এগিয়ে যান এবং 'Registration' ট্যাবটি খুঁজে বের করে সেটিতে ক্লিক করুন। ক্লিক করতেই ঠিক নিচে 'Certified Copy of Registered Deed' অপশনটি চলে আসবে।

e-District ড্যাশবোর্ড থেকে প্রপার্টি রেজিস্ট্রেশন ও সার্টিফাইড কপি অফ রেজিস্টার্ড ডিড সার্ভিস সিলেক্ট করা।
​Certified Copy of Registered Deed অপশনে ক্লিক করার সাথে সাথেই স্ক্রিনে একটি নির্দেশাবলীর পপ-আপ বক্স চলে আসবে। মূল ফর্মে যাওয়ার আগে এই বক্সটি সম্পর্কে সংক্ষেপে জেনে নিন:
দলিলের সার্টিফাইড কপি তোলার সরকারি ফি এবং নির্দেশাবলীর পপ-আপ পেজ।

  • প্রয়োজনীয় তথ্য (Eligibility): আবেদন করার জন্য আপনার কাছে দলিলের সঠিক নম্বর (Deed No.), রেজিস্ট্রেশনের বছর (Registration Year) এবং অফিসের নাম থাকতে হবে।
  • ​প্রয়োজনীয় নথি (Document Requirement): সুখবর হলো, অনলাইনে আলাদা করে কোনো ডকুমেন্ট বা নথি আপলোড করার প্রয়োজন নেই (Not Applicable)।
  • আবেদন ফি (Payment): দলিলের পৃষ্ঠা সংখ্যা অনুযায়ী সরকারি ফি নির্ধারিত হয়। যেমন— কোর্ট ফি ১০ টাকা, সার্চিং ফি ২০ টাকা এবং কপি করার জন্য প্রতি পৃষ্ঠায় ৮ টাকা করে চার্জ লাগবে। মনে রাখবেন, পেমেন্ট করার জন্য আবেদনের সময় মোবাইল নম্বর দেওয়া বাধ্যতামূলক।
  • অনুমতি ও এগিয়ে যাওয়া (Acceptance): নিয়মাবলীতে সম্মতি জানাতে এবং আপনার আধার ও ব্যক্তিগত তথ্য যাচাইয়ের অনুমতি দিতে নিচে থাকা 'ACCEPT' বাটনে ক্লিক করুন।
​'ACCEPT' বাটনে ক্লিক করলেই এই পপ-আপটি চলে যাবে এবং আপনার সামনে দলিলের সার্টিফাইড কপি তোলার মূল আবেদন ফর্মটি খুলে যাবে।

আবেদনের ধরন (Certified Copy of Registered Deed):

​মূল ফর্মে ঢুকলেই দেখতে পাবেন 'New Application' এবং ডানপাশে 'Digitally Signed Copy' অপশনটি আগে থেকেই সিলেক্ট করা আছে। আপনাকে এখানে 'New Application' লেখা অপশনটির ওপর ক্লিক করতে হবে এবং ড্রপডাউন মেনু থেকে 'Certified Copy of Registered Deed' লেখাটি সিলেক্ট করে নিতে হবে। এরপর নিচে থাকা 'Save & Next' বাটনে ক্লিক করে পরের ধাপে চলে যান।
মূল আবেদন ফর্মে 'New Application' পরিবর্তন করে 'Certified Copy of Registered Deed' নির্বাচন করার নিয়ম।

​দলিলের তথ্য খোঁজা (Search Deed):

​এই ধাপে আপনাকে আপনার দলিলের সঠিক তথ্যগুলো ড্রপডাউন মেনু থেকে সিলেক্ট করতে হবে:
জেলা, রেজিস্ট্রি অফিস, সাল এবং দলিল নম্বরের শেষ ৫টি সংখ্যা দেওয়ার ঘর।

District Name: যে জেলায় দলিলটি রেজিস্ট্রি হয়েছিল, সেই জেলার নাম বেছে নিন।

Registration Office: আপনার সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের নামটি সিলেক্ট করুন।

Registered In Book: সাধারণ দলিলের ক্ষেত্রে এটি 'Book 1' থাকে, সেটি সিলেক্ট করে দিন।

Year of Registration: দলিলটি যে সালে রেজিস্ট্রি হয়েছিল, সেই বছরটি লিখুন।

Deed Number: এটি খুব গুরুত্বপূর্ণ! আপনার দলিল নম্বরের শেষ ৫টি সংখ্যা (Last 5 digits) এখানে বসাবেন। (উদাহরণস্বরূপ: আপনার সম্পূর্ণ দলিল নম্বরটি যদি হয় I-190307890, তবে শেষের ৫টি সংখ্যা হিসেবে আপনাকে শুধু 07890 বসাতে হবে। আর আপনার দলিল নম্বরটি যদি ৩ সংখ্যার ছোট হয় (যেমন: 123), তবে ৫টি সংখ্যা মেলাতে আগে দুটি শূন্য বসিয়ে 00123 লিখতে হবে।) সব তথ্য দেওয়া হলে নিচে থাকা 'Save & Next' বাটনে ক্লিক করুন।

​আবেদনকারীর তথ্য (Applicant's Basic Information)

​শেষ ধাপে যিনি আবেদন করছেন, তার ব্যক্তিগত তথ্য দিতে হবে:
আবেদনকারীর নাম, মোবাইল নম্বর, ইমেইল ও সম্পূর্ণ ঠিকানা পূরণ করার ফর্ম।

Salutation & Name: প্রথমে নামের আগে Mr./Mrs. সিলেক্ট করুন, তারপর First Name ও Last Name-এর ঘরে আবেদনকারীর নাম লিখুন।

Mobile No. & Email: আপনার সচল মোবাইল নম্বর এবং একটি সঠিক ইমেইল আইডি দিন।

Address of Applicant: আবেদনকারীর সম্পূর্ণ ঠিকানাটি এখানে লিখে দিন।

আবেদন যাচাই ও জমা দেওয়া: সব তথ্য দেওয়া হয়ে গেলে প্রথমে নিচে থাকা 'Validate' বাটনে ক্লিক করে তথ্যগুলো সিস্টেমে যাচাই করে নিন। এরপর পাশে থাকা 'Preview' বাটনে ক্লিক করে পুরো ফর্মে আপনার দেওয়া সমস্ত তথ্য আরও একবার ভালো করে মিলিয়ে দেখে নিন (সব ঠিক আছে কি না)। সবশেষে, সবকিছু একদম নির্ভুল থাকলে তবেই 'Submit' বাটনে ক্লিক করে আপনার আবেদনটি সম্পন্ন করুন।

GRIPS পোর্টালের মাধ্যমে অনলাইন ফি পেমেন্ট পদ্ধতি

আবেদনটি সাবমিট করার পর সরকারি ফি জমা দেওয়ার জন্য সিস্টেম আপনাকে সরাসরি পেমেন্ট পেজে নিয়ে আসবে। নিচে দেওয়া নিয়ম মেনে পেমেন্টটি সম্পন্ন করুন:

পেমেন্ট গেটওয়ে সিলেক্ট: প্রথমে স্ক্রিনে আপনার নাম, ঠিকানা এবং মোট টাকার পরিমাণ দেখতে পাবেন। তার ঠিক নিচে থাকা 'GRIPS 2.0' অপশনটির পাশের গোল বক্সে টিক দিন। এরপর নিচে থাকা 'Pay' বাটনে ক্লিক করুন।

সরকারি ফি দেওয়ার জন্য GRIPS 2.0 পেমেন্ট গেটওয়ে সিলেক্ট করার নিয়ম।

টাকার পরিমাণ ভেরিফাই: পরবর্তী পেজে আপনার পেমেন্টের বিস্তারিত ব্রেক-আপ চলে আসবে। সবকিছু ঠিক থাকলে 'Verified and checked' লেখার পাশের বক্সে টিক দিন এবং নিচে থাকা 'NEXT' বাটনে ক্লিক করুন।

চালানের টাকার পরিমাণ যাচাই করে ভেরিফাইড এন্ড চেকড বক্সে টিক দেওয়া।

পেমেন্ট মোড ও ব্যাংক নির্বাচন: এবার 'Payment Mode'-এর ঘরে 'SBI ePay' অপশনটি সিলেক্ট করুন এবং ডানদিকের 'Bank'-এর ড্রপডাউন মেনু থেকে 'Payment Gateway/Bank'  সিলেক্ট করে নিচে থাকা 'NEXT' বাটনে ক্লিক করুন।

SBI ePay সিলেক্ট করার পর UPI (GPay/PhonePe), ডেবিট কার্ড বা নেট ব্যাংকিং এর মাধ্যমে টাকা কাটানোর পেজ।

পেমেন্টের মাধ্যম (UPI, Debit Card, Net Banking) বেছে নিন: এরপরের পেজে আপনি কীভাবে টাকা পেমেন্ট করতে চান, তার অপশনগুলো আসবে। আপনি চাইলে Net Banking, Debit Card অথবা খুব সহজে UPI (যেমন- GPay, PhonePe বা QR Code) এর যেকোনো একটি অপশন সিলেক্ট করে আপনার পেমেন্টটি সম্পন্ন করতে পারেন।

SBI ePay সিলেক্ট করার পর UPI (GPay/PhonePe), ডেবিট কার্ড বা নেট ব্যাংকিং এর মাধ্যমে টাকা কাটানোর পেজ।

সাকসেস মেসেজ ও রেফারেন্স: আপনার পেমেন্টটি সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার সাথে সাথেই স্ক্রিনে একটি 'Success' পপ-আপ মেসেজ আসবে। এখানে আপনার 'GRIPS Payment ID' এবং 'Government Reference Number (GRN)' দেখতে পাবেন। এটি নোট করে নিয়ে নিচে থাকা 'OK' বাটনে ক্লিক করুন।

অনলাইন পেমেন্ট সফল হওয়ার সাকসেস মেসেজ এবং জিআরএন নম্বর।

পেমেন্ট অ্যাকনলেজমেন্ট: শেষ ধাপে আপনার স্ক্রিনে 'Payment Acknowledgment' পেজটি চলে আসবে। এখানে আপনার AIN নম্বর এবং পেমেন্ট স্ট্যাটাস (Successful) দেখাবে। এটাকে ডাউনলোড বা প্রিন্টআউট করে রাখবেন।

ই-ডিস্ট্রিক্ট পোর্টালে রিডাইরেক্ট হওয়ার আগের পেমেন্ট অ্যাকনলেজমেন্ট রসিদ।

দলিলের সার্টিফাইড কপি ডাউনলোড করার পদ্ধতি

পেমেন্ট সম্পূর্ণ হওয়ার পর সাধারণত ২ থেকে ৩ কার্যদিবসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে আবেদনটি অ্যাপ্রুভ করা হয়। এই নির্দিষ্ট সময়ের পর আপনি পোর্টাল থেকে ফাইলটি ডাউনলোড করতে পারবেন। নিচে ডাউনলোডের সহজ পদ্ধতিটি উল্লেখ করা হলো:

আবেদনটি অনুসন্ধান: পোর্টালে লগইন করে মূল ড্যাশবোর্ডে প্রবেশ করুন। যদি আপনার ড্যাশবোর্ডে একাধিক পূর্ববর্তী আবেদনের তালিকা থাকে, তবে খোঁজার সুবিধার্থে 'Search' বক্সে আপনার আবেদনের নির্দিষ্ট AIN নম্বরটি ইনপুট করে সার্চ করুন।

২-৩ দিন পর ড্যাশবোর্ডের সার্চ বক্সে AIN নম্বর দিয়ে আবেদনটি খুঁজে বের করা।

স্ট্যাটাস চেক করুন: সার্চ করার পর আপনার দলিলের আবেদনের লাইনে 'Status'-এর ঘরে যদি 'Approved' লেখা দেখতে পান, তার মানে আপনার সার্টিফাইড কপিটি ডাউনলোডের জন্য একদম প্রস্তুত।

আবেদনটির স্ট্যাটাস Approved দেখানো
ফাইল ডাউনলোড: এবার 'Approved' লেখার ঠিক ডানপাশে 'Actions' কলামের অধীনে থাকা আইকনগুলোর মধ্যে একদম শেষ প্রান্তের ডাউনলোড আইকনটিতে (📥) ক্লিক করুন।
আবেদনটির স্ট্যাটাস Approved দেখানোর পর অ্যাকশন কলামের ডাউনলোড আইকন থেকে দলিলের পিডিএফ ডাউনলোড করার পদ্ধতি।

এই আইকনটিতে ক্লিক করার সাথে সাথেই দলিলের ডিজিটালি সাইন করা সার্টিফাইড কপিটি PDF ফরম্যাটে আপনার ডিভাইসে সফলভাবে ডাউনলোড হয়ে যাবে।

সার্টিফাইড কপি পাওয়ার পরে কী করবেন?

​দলিলের নকল হাতে পাওয়ার পর সেটি সুরক্ষিত রাখতে নিচের কাজগুলো করা উচিত:

  • PDF Backup: ডিজিটাল কপি হলে মূল পিডিএফ (PDF) ফাইলটি ইমেইলে বা Google Drive-এ সেভ করে রাখুন।
  • Cloud Backup: জিডি কপি, পেপার কাটিং এবং সার্টিফাইড কপি একসাথে স্ক্যান করে ক্লাউডে ব্যাকআপ রাখুন।
  • Print (প্রিন্ট): ডিজিটাল কপির একটি পরিষ্কার ও ভালো মানের এ-ফোর (A4) সাইজের কালার বা সাদা-কালো প্রিন্ট নিয়ে মূল ফাইলে রাখুন।
  • Lamination নয়: সার্টিফাইড কপি বা আইনি নথিপত্র ল্যামিনেট না করাই ভালো, কারণ ল্যামিনেশন করলে অনেক সময় স্ট্যাম্প বা প্রযোজ্য কিউআর কোড (QR Code) স্ক্যান করতে সমস্যা হতে পারে।
  • পরিবারকে জানানো: দলিলের সার্টিফাইড কপি কোথায় রাখা আছে, তা পরিবারের অন্তত একজন বিশ্বস্ত সদস্যকে জানিয়ে রাখুন।

কী করবেন এবং কী করবেন না (Do's & Don'ts)

কী করবেন:

  • সবসময় জিডি কপিতে দলিলের সঠিক দাগ, খতিয়ান ও সাল উল্লেখ করবেন।
  • পেমেন্ট করার পর GRN বা চালানটি সাথে সাথে সেভ করে রাখবেন।
  • "Search of Deed" করার সময় নামের বানান বিভিন্নভাবে লিখে চেক করবেন।

কী করবেন না:

  • অজানা কোনো এজেন্ট বা থার্ড-পার্টি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন করবেন না।
  • GRN বা অ্যাপ্লিকেশন নম্বর হারাবেন না।
  • ভুল রেজিস্ট্রেশন অফিস (SRO) নির্বাচন করবেন না।
  • অসম্পূর্ণ বা ভুল তথ্য দিয়ে আবেদন ফি জমা দেবেন না।

সার্টিফাইড কপির সত্যতা কীভাবে যাচাই করবেন?

​ডিজিটাল সার্টিফাইড কপি প্রাপ্তির ক্ষেত্রে এর সত্যতা যাচাই করা যেতে পারে:

  1. ডিজিটাল সিগনেচার: পিডিএফ ফাইলটি Adobe Acrobat Reader-এ খুললে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে সিগনেচার প্যানেলে 'Signature Valid' বা সবুজ টিক মার্ক দেখাতে পারে।
  2. QR Code বা Barcode: যদি কপিতে কোনো বারকোড বা কিউআর কোড থাকে, তবে সেটি স্ক্যান করে সরকারি ডেটাবেসের সাথে তথ্য মিলিয়ে নেওয়ার সুযোগ থাকতে পারে।
  3. সরাসরি যাচাই: যেকোনো সন্দেহের ক্ষেত্রে জিডি কপি ও সার্টিফাইড কপি নিয়ে সংশ্লিষ্ট সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে (Inspection) গিয়ে সত্যতা যাচাই করা যায়।

সাধারণ ভুল ধারণা (Myth vs Fact)

❌ Myth (ভুল ধারণা)
দলিল হারালে জমির মালিকানা বাতিল হয়ে যায়।
✅ Fact (সত্য)
একদমই নয়। দলিল হলো সম্পত্তি হস্তান্তরের প্রমাণপত্র। সরকারি Record of Rights (ROR)-এ আপনার নাম থাকলে মালিকানা আপনারই থাকে।
❌ Myth (ভুল ধারণা)
সার্টিফাইড কপি তোলার জন্য অবশ্যই একজন উকিল রাখতে হবে।
✅ Fact (সত্য)
না। প্রয়োজনীয় তথ্য সঠিকভাবে জানা থাকলে এবং সংশ্লিষ্ট পরিষেবা উপলব্ধ থাকলে অনেক ক্ষেত্রেই আপনি নিজেই অনলাইনে আবেদন করতে পারেন।
❌ Myth (ভুল ধারণা)
সার্টিফাইড কপি দিয়ে কোনোভাবেই জমি বিক্রি করা যায় না।
✅ Fact (সত্য)
বেশিরভাগ ক্ষেত্রে জিডি (GD), সংবাদপত্রে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি এবং সার্টিফাইড কপির ভিত্তিতে আইনানুগভাবে জমি হস্তান্তর করা সম্ভব হতে পারে। তবে নির্দিষ্ট লেনদেনের ক্ষেত্রে ক্রেতা, ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান অতিরিক্ত নথি বা যাচাই চাইতে পারে।

কখন আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া উচিত?

  • ​খুব পুরোনো দলিল যা অনলাইনে নেই এবং ম্যানুয়াল তল্লাশি (Manual Search) প্রয়োজন।
  • ​দলিলে শরিকি বিবাদ থাকলে বা কোর্টে কোনো মামলা (Title Suit) চললে।
  • ​যদি আগের মালিকের কোনো ঋণ বা মর্টগেজের সমস্যা থাকে।
  • ​ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান যদি শুধুমাত্র সার্টিফাইড কপি দেখে লোন দিতে আপত্তি জানায় এবং লিগাল ওপিনিয়ন (Legal Opinion) চায়।

প্রায় জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী 

১. জমির দলিল হারিয়ে গেলে প্রথমেই কী করব?

উত্তর: প্রথমে নিকটবর্তী থানায় একটি জিডি (General Diary) করুন এবং স্থানীয় সংবাদপত্রে একটি সতর্কতামূলক বিজ্ঞাপন প্রকাশ করুন। এরপর সার্টিফাইড কপির জন্য আবেদন করুন।

২. সার্টিফাইড কপি তুলতে কত টাকা খরচ হয়?

উত্তর: দলিলের সার্টিফাইড কপি তুলতে মোট খরচের মধ্যে রয়েছে আবেদন ও স্ট্যাম্প ফি বাবদ ২০ টাকা (১০+১০), সার্চ ও ইন্সপেকশন ফি ৪০ টাকা (২০+২০) এবং প্রতি পৃষ্ঠার কপি ফি ৮ টাকা। এছাড়া জরুরি কপির ক্ষেত্রে প্রথম ৪ পৃষ্ঠার জন্য ৪০ টাকা এবং পরবর্তী প্রতি পৃষ্ঠায় ৫ টাকা অতিরিক্ত চার্জ প্রযোজ্য হবে। 

৩. কপি পেতে কত দিন সময় লাগে?

উত্তর: সার্টিফাইড কপি পাওয়ার নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা সরকারিভাবে নির্ধারিত নেই। আবেদনটি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে যাচাই ও অনুমোদনের পর eDistrict পোর্টাল থেকে ডাউনলোড করা যায়। সাধারণভাবে অনেক ক্ষেত্রে কয়েক কার্যদিবসের মধ্যে প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলেও, প্রকৃত সময় সংশ্লিষ্ট অফিসের কাজের চাপ ও রেকর্ডের প্রাপ্যতার ওপর নির্ভর করে।

৪. ২০০৮ সালের আগের দলিলের কপি কি অনলাইনে পাওয়া যায়?

উত্তর: আংশিক পাওয়া যায়। পশ্চিমবঙ্গে ১লা জানুয়ারি, ২০০৮ থেকে সমস্ত দলিল বাধ্যতামূলকভাবে সম্পূর্ণ ডিজিটাল করা হয়েছে। ২০০৮ সালের আগের (বিশেষ করে ১৯৯৫ থেকে ২০০৭ সালের মধ্যবর্তী) কিছু দলিলের প্রাথমিক তথ্য বা ইনডেক্স অনলাইনে সার্চ করা সম্ভব।

​তবে আপনার দলিলটি যদি ২০০৮ সালের আগের হয় এবং সেটি যদি অনলাইনে খুঁজে না পাওয়া যায়, তবে আপনাকে নির্দিষ্ট সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে (Registry Office) গিয়ে ম্যানুয়ালি সার্চিং ফর্ম জমা দিয়ে দলিলের সার্টিফাইড কপি বা নকল সংগ্রহ করতে হবে।

৫. দলিল নম্বর না জানলে কি সার্টিফাইড কপি তোলা সম্ভব?

উত্তর: হ্যাঁ, দলিল নম্বর না থাকলেও সার্টিফাইড কপি তোলা সম্ভব। আপনি ২টি উপায়ে দলিল নম্বর খুঁজে বের করে আবেদন করতে পারেন:

​১. অনলাইনে (ফ্রি): সরকারি ওয়েবসাইট (wbregistration.gov.in)-এ গিয়ে ক্রেতা/বিক্রেতার নাম অথবা জমির দাগ/খতিয়ান নম্বর দিয়ে সার্চ করলেই দলিলের নম্বর ও সাল পেয়ে যাবেন।

২. রেজিস্ট্রি অফিসে (ম্যানুয়ালি): অনলাইনে না পাওয়া গেলে, সংশ্লিষ্ট সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে নির্দিষ্ট সার্চিং ফি জমা দিয়ে 'নামের বই' বা 'দাগের বই' তল্লাশি করে নম্বর বের করা যায়।

​দলিল নম্বরটি পেয়ে গেলেই e-District পোর্টাল থেকে সহজেই সার্টিফাইড কপির জন্য আবেদন করতে পারবেন। প্রয়োজনে কোনো দলিল লেখকের সাহায্য নিতে পারেন।

৬. সার্টিফাইড কপি দিয়ে কি জমি বিক্রি করা যায়?

উত্তর: হ্যাঁ, আসল দলিল হারিয়ে বা নষ্ট হয়ে গেলে সার্টিফাইড কপি (দলিলের নকল) দিয়ে জমি বিক্রি করা সম্পূর্ণ সম্ভব। আইনগতভাবে সার্টিফাইড কপি মূল দলিলের মতোই বৈধ প্রমাণ হিসেবে গণ্য হয়।

​তবে সরাসরি বিক্রি করার ক্ষেত্রে কিছুটা আইনি জটিলতা এড়াতে আপনাকে নিচের ধাপগুলো অবশ্যই অনুসরণ করতে হবে:

​১. থানায় জিডি (GD): আসল দলিলটি হারিয়ে বা চুরি হয়ে গেছে জানিয়ে স্থানীয় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (GD) করতে হবে।

২. পত্রিকায় বিজ্ঞাপন: দলিলটি পাওয়া যাচ্ছে না মর্মে একটি স্থানীয় বা জাতীয় সংবাদপত্রে 'দলিল হারানো প্রাপ্তি' বিজ্ঞপ্তি দিতে হবে।

৩. আদালতের হলফনামা (Affidavit): ফার্স্ট ক্লাস ম্যাজিস্ট্রেটের কাছ থেকে দলিল হারানোর বিষয়ে একটি আইনি হলফনামা তৈরি করে নিতে হবে।

৪. মিউটেশন বা নামজারি: জমিটি আপনার নামে রেকর্ড বা মিউটেশন করা থাকতে হবে এবং খাজনা রসিদ আপডেট থাকতে হবে।

​সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে জমি রেজিস্ট্রি করার সময় সার্টিফাইড কপির সাথে জিডির কপি, পেপার কাটিং এবং হলফনামার কাগজগুলো জমা দিলেই ক্রেতার নামে নতুন দলিল রেজিস্ট্রি হয়ে যাবে।

৭. ব্যাংক লোন নিতে গেলে কি সার্টিফাইড কপি গ্রাহ্য হবে?

উত্তর: অধিকাংশ ব্যাংক মূল দলিল দেখতে চায়। তবে নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে লিগ্যাল ভেরিফিকেশনের পর সার্টিফাইড কপি, জিডি এবং অন্যান্য নথির ভিত্তিতেও আবেদন বিবেচনা করা হতে পারে।

৮. পর্চা (Porcha) আর দলিলের সার্টিফাইড কপি কি এক?

উত্তর: না। পর্চা বা খতিয়ান হলো ভূমি দপ্তরের জমির রেকর্ড, আর সার্টিফাইড কপি হলো রেজিস্ট্রেশন দপ্তরে সংরক্ষিত নিবন্ধিত দলিলের প্রত্যয়িত প্রতিলিপি।

৯. আমি কি অন্যের দলিলের সার্টিফাইড কপি তুলতে পারি?

উত্তর: হ্যাঁ, আপনি অন্যের দলিলের সার্টিফাইড কপিও তুলতে পারেন।

​পশ্চিমবঙ্গের ই-ডিস্ট্রিক্ট (e-District) পোর্টাল বা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের নিয়ম অনুযায়ী, দলিলের সার্টিফাইড কপি বা নকল তোলার জন্য দলিলের প্রকৃত মালিক হওয়া বাধ্যতামূলক নয়। যে কেউ নির্দিষ্ট সরকারি ফি জমা দিয়ে যেকোনো রেজিস্ট্রিকৃত দলিলের সার্টিফাইড কপির জন্য আবেদন করতে পারেন।

​তবে এর জন্য আপনার কাছে ওই দলিলের কিছু প্রয়োজনীয় তথ্য থাকা আবশ্যক:

  • ​সঠিক দলিল নম্বর এবং রেজিস্ট্রি হওয়ার বছর।
  • ​কোন সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দলিলটি রেজিস্ট্রি হয়েছিল সেই অফিসের নাম।

​এই তথ্যগুলো জানা থাকলে আপনি নিজের ই-ডিস্ট্রিক্ট অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করেই অন্যের দলিলের সার্টিফাইড কপির জন্য আবেদন এবং ফি পেমেন্ট করতে পারবেন।

১০. সার্টিফাইড কপিতে কি আসল সই থাকে?

উত্তর: না। সার্টিফাইড কপিতে মূল পক্ষগুলোর আসল স্বাক্ষর থাকে না। এতে রেজিস্টারিং অফিসারের প্রত্যয়ন, অফিসিয়াল সীল এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ডিজিটাল সিগনেচার থাকে।

১১. সার্টিফাইড কপিতে কি কিউআর কোড থাকে?

উত্তর: হ্যাঁ, অনলাইনে প্রাপ্ত দলিলের ডিজিটাল সার্টিফাইড কপিতে কিউআর কোড (QR Code) এবং ডিজিটাল স্বাক্ষর (Digital Signature) দুটোই থাকে।

​বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ই-ডিস্ট্রিক্ট (e-District) পোর্টাল থেকে যে সার্টিফাইড কপি ডাউনলোড করা হয়, সেটি সম্পূর্ণ ডিজিটালি সার্টিফাইড। এই কপির ওপরের দিকে একটি QR Code এবং নিচে কর্তৃপক্ষের Digitally Signed সিল থাকে।

​যেকোনো স্মার্টফোন দিয়ে এই কিউআর কোডটি স্ক্যান করে মুহূর্তের মধ্যেই দলিলের আসল ও বৈধতা যাচাই (Verification) করা সম্ভব। তাই এই কপিটি ব্যবহারের জন্য আলাদা করে সাব-রেজিস্ট্রি অফিস থেকে কোনো হাতে লেখা সই বা ফিজিক্যাল সিলের প্রয়োজন হয় না—এটি সরাসরি সব জায়গায় আইনিভাবে গ্রহণযোগ্য।

১২. ডিজিটাল সার্টিফাইড কপি কি প্রিন্ট করে নিতে হবে?

উত্তর: হ্যাঁ। পিডিএফ ফাইলটি ডাউনলোড করে একটি পরিষ্কার প্রিন্ট কপি সংরক্ষণ করে রাখা ভালো, যাতে প্রয়োজনের সময় সহজে ব্যবহার করা যায়।

১৩. দলিলের সার্টিফাইড কপি কি ল্যামিনেট করা উচিত?

উত্তর: না। সার্টিফাইড কপি ল্যামিনেট না করাই ভালো। এটি একটি পরিষ্কার প্লাস্টিক ফোল্ডার বা ডকুমেন্ট কভারে সংরক্ষণ করা উত্তম।

১৪. দানপত্র দলিলের (Gift Deed) সার্টিফাইড কপি কি তোলা যায়?

উত্তর: হ্যাঁ। যথাযথভাবে রেজিস্ট্রি হওয়া দানপত্র (Gift Deed)-এর সার্টিফাইড কপি একই নিয়মে সংগ্রহ করা যায়।

১৫. বন্টননামা দলিলের (Partition Deed) নকল পাওয়া কি সম্ভব?

উত্তর: হ্যাঁ। রেজিস্ট্রি হওয়া বন্টননামা (Partition Deed)-এর সার্টিফাইড কপিও একই প্রক্রিয়ায় সংগ্রহ করা যায়।

১৬. অনলাইনে পেমেন্ট ফেইল হলে কি আবার টাকা দিতে হবে?

উত্তর: না। সঙ্গে সঙ্গে পুনরায় পেমেন্ট করবেন না। প্রথমে GRIPS পোর্টালের Challan Search অপশনে গিয়ে GRN দিয়ে পেমেন্ট স্ট্যাটাস যাচাই করুন।

১৭. সার্টিফাইড কপির মেয়াদ কতদিন থাকে?

উত্তর: সাধারণভাবে সার্টিফাইড কপির কোনো নির্দিষ্ট মেয়াদ (Expiry Date) থাকে না। তবে কোনো নির্দিষ্ট সংস্থা বা কর্তৃপক্ষ অতিরিক্ত যাচাইয়ের জন্য সাম্প্রতিক নথি চাইতে পারে।

১৮. আমি কি অন্য জেলার দলিলের কপি তুলতে পারি?

উত্তর: হ্যাঁ। অনলাইনে সঠিক জেলা, সংশ্লিষ্ট সাব-রেজিস্ট্রার অফিস (SRO) এবং দলিলের রেজিস্ট্রেশন নম্বরের তথ্য দিয়ে আবেদন করলে অন্য জেলার নিবন্ধিত দলিলের সার্টিফাইড কপির জন্যও আবেদন করা যায়।

১৯. দলিলের ইনডেক্স সার্চ (Index Search) কী?

উত্তর: নাম, সম্পত্তির বিবরণ বা অন্যান্য উপলব্ধ তথ্যের ভিত্তিতে সরকারি রেজিস্ট্রেশন রেকর্ড থেকে পুরোনো দলিলের নম্বর ও তথ্য খুঁজে বের করার প্রক্রিয়াকে Index Search বলা হয়।

২০. অফলাইনে আবেদন করলে কোথায় যেতে হবে?

উত্তর: যে সাব-রেজিস্ট্রার অফিস (SRO) বা অ্যাডিশনাল ডিস্ট্রিক্ট সাব-রেজিস্ট্রার (ADSR) অফিসে দলিলটি নিবন্ধিত হয়েছিল, সেখানে গিয়ে আবেদন করতে হবে।

২১. কোয়ারি নম্বর (Query Number) দিয়ে কি সার্টিফাইড কপি তোলা যায়?

উত্তর: না। Query Number হলো দলিল নিবন্ধনের আগের একটি অস্থায়ী রেফারেন্স নম্বর। সার্টিফাইড কপির জন্য চূড়ান্ত রেজিস্ট্রেশন নম্বর (Deed Number) প্রয়োজন হয়।

২২. GRN নম্বর হারিয়ে গেলে কী করব?

উত্তর: GRIPS পোর্টালের Reprint Challan অপশন ব্যবহার করে প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান করলে GRN পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হতে পারে।

২৩. ম্যানুয়াল তল্লাশি (Manual Search) কী?

উত্তর: কোনো পুরোনো দলিল অনলাইনে খুঁজে না পাওয়া গেলে রেকর্ড রুমে সংরক্ষিত ভলিউম (বালাম) বই থেকে তথ্য খোঁজার প্রক্রিয়াকে Manual Search বলা হয়।

২৪. নামপত্তন বা মিউটেশনের সময় কি সার্টিফাইড কপি জমা দেওয়া যায়?

উত্তর: সংশ্লিষ্ট BL&LRO অফিস প্রযোজ্য নিয়ম অনুযায়ী সার্টিফাইড কপি গ্রহণ করতে পারে। প্রয়োজন হলে জিডি বা অন্যান্য সহায়ক নথিও চাওয়া হতে পারে।

২৫. সার্টিফাইড কপি আসল না নকল তা বুঝব কীভাবে?

উত্তর: প্রযোজ্য ক্ষেত্রে সার্টিফাইড কপিতে থাকা ডিজিটাল সিগনেচার, অফিসিয়াল সীল এবং QR কোড বা বারকোড যাচাই করে এর সত্যতা নিশ্চিত করা যায়।

Official Terminology (অফিসিয়াল শব্দার্থ)

​সরকারি পোর্টালে আবেদন করার সময় অনেক ইংরেজি টার্ম থাকে যা বোঝা জরুরি। নিচে গুরুত্বপূর্ণ কিছু শব্দের বাংলা ও অফিশিয়াল ইংরেজি দেওয়া হলো:

বাংলা শব্দ / ব্যবহার Official English Term
দলিল নম্বর Registration Number / Deed Number
দলিলের নকল Certified Copy
তল্লাশি Search of Deed / Inspection
সাব-রেজিস্ট্রার অফিস Sub Registrar Office (SRO)
জেলা সাব-রেজিস্ট্রার Additional District Sub-Registrar (ADSR)
আবেদন নম্বর Application Number
সরকারি ফি জমার রসিদ GRN (Government Receipt Number)
রেকর্ড বই / বালাম Volume Book
সূচি তল্লাশি Index Search
আবেদনকারীর বিবরণ Applicant Details

উপসংহার

​এই আর্টিকেলে প্রদত্ত তথ্যগুলো সাধারণ সচেতনতা এবং ব্যবহারকারীদের গাইড করার উদ্দেশ্যে লেখা হয়েছে। সরকারি নিয়মকানুন, পরিষেবার ফি, পোর্টালের কাঠামো, জমির রেজিস্ট্রেশন, স্ট্যাম্প ডিউটি ও রেজিস্ট্রেশন ফি প্রদান, Rectification Deed-এর মাধ্যমে দলিলের সংশোধন, এবং প্রক্রিয়াকরণের সময় যেকোনো মুহূর্তে পরিবর্তিত হতে পারে। যেকোনো আইনি বা আর্থিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে এবং সর্বশেষ তথ্যের জন্য অবশ্যই পশ্চিমবঙ্গ সরকারের রেজিস্ট্রেশন দপ্তরের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট (wbregistration.gov.in) পরিদর্শন করুন বা কোনো অভিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নিন। আশা করি, এখন মোবাইল দিয়েই হারিয়ে যাওয়া দলিলের সার্টিফাইড কপি সহজে তুলতে পারবেন। পুরো প্রসেসে কোনো সমস্যা হলে বা কিছু জানার থাকলে নিচে কমেন্ট করে জানান। আমরা দ্রুত উত্তর দেব।

📚 অফিসিয়াল তথ্যসূত্র (Information Sources)

  • Directorate of Registration & Stamp Revenue, Government of West Bengal
    wbregistration.gov.in
    দলিল নিবন্ধন, সার্টিফাইড কপি, Search of Deed, e-Registration ও অন্যান্য পরিষেবার অফিসিয়াল পোর্টাল।
  • Government Receipt Portal System (GRIPS)
    wbifms.gov.in/GRIPS
    সরকারি ফি জমা, GRN তৈরি এবং চালান যাচাইয়ের অফিসিয়াল পোর্টাল।
  • Land & Land Reforms and Refugee Relief & Rehabilitation Department
    banglarbhumi.gov.in
    পর্চা (ROR), খতিয়ান, দাগের তথ্য এবং ভূমি রেকর্ড সংক্রান্ত অফিসিয়াল পোর্টাল।
Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url